ঢাকাসোমবার , ৩১ আগস্ট ২০২০
  1. অনান্য
  2. অপরাধ ও আইন
  3. অভিবাসীদের নির্মম জীবন
  4. অর্থনীতি
  5. আত্মসাৎ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. ইতিহাস
  8. উদ্যোক্তা
  9. এশিয়া
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. গল্প ক‌বিতা
  15. চট্টগ্রাম বিভাগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মুজিব সেনা চট্টগ্রাম মহানগর শাখার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা ।

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগস্ট ৩১, ২০২০ ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মুজিব সেনা চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যেগে  মাহবুবুল আলম আজাদের সভাপতিত্বে ২৯ অগাস্ট চট্ট্রগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব,রেজাউল করিম চৌধুরী , যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক,চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদ প্রার্থী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ,শফিক আদনান , সাংগঠনিক সম্পাদক,চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ।
প্রধান বক্তা ছিলেন জনাব,দেলোয়ার হোসেন খোকা , যুগ্ম আহ্বায়ক,চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মুজিব সেনা চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন ১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। বাঙালি জাতির শোকের দিন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী। জাতির জনককে সপরিবারে নির্মম-নিষ্ঠুরভাবে হত্যার ৪৫ বছর। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে রাজধানী ঢাকায় সংঘটিত হয়েছিল ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। এদিন স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, বাঙালির মহানায়ককে হত্যা করেছিল ক্ষমতালোভী নরপিশাচ কুচক্রী মহল।

বাঙালির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিরঞ্জীব, তার চেতনা অবিনশ্বর। মুজিব আদর্শে শানিত বাংলার আকাশ-বাতাস, জল-সমতল। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কাছে শেখ মুজিবুর রহমানের অবিনাশী চেতনা ও আদর্শ চির প্রবহমান থাকবে।
বিশেষ অতিথি শফিক আদনান বলেন জাতির পিতা চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যকে জয় করে বিশ্বসভায় একটি উন্নয়নশীল, মর্যাদাবান জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ।
প্রধান বক্তা ছিলেন জনাব,দেলোয়ার হোসেন খোকা বলেন বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর গোটা বিশ্বে নেমে এসেছিল শোকের ছায়া। হত্যাকারীদের প্রতি ছড়িয়ে পড়েছিল ঘৃণার বিষবাষ্প। পশ্চিম জার্মানির নেতা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী উইলি ব্রানডিট বলেছিলেন, ‘মুজিবকে হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না। যে বাঙালি শেখ মুজিবকে হত্যা করতে পারে, তারা যেকোনও জঘন্য কাজ করতে পারে।’

বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করার পর স্বাধীনতাবিরোধীরা এ দেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় পুনর্বাসিত হতে থাকে। তারা এ দেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে নানা উদ্যোগ নেয়। শাসকদের রোষানলে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণও যেন নিষিদ্ধ হয়ে পড়েছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ঠেকাতে কুখ্যাত ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ জারি করেছিল মোশতাক সরকার।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন হালিশহর থানা আওয়ামিলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম কায়সার ।মুজিব সেনা চট্টগ্রাম মহানগর এবং জেলা নেতৃবৃন্দ।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল অপরাজিতবাংলা ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন oporajitobangla24@yahoo.com ঠিকানায়।