ঢাকামঙ্গলবার , ১৪ মে ২০২৪
  1. অনান্য
  2. অপরাধ ও আইন
  3. অভিবাসীদের নির্মম জীবন
  4. অর্থনীতি
  5. আত্মসাৎ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. ইতিহাস
  8. উদ্যোক্তা
  9. এশিয়া
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. গল্প ক‌বিতা
  15. চট্টগ্রাম বিভাগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমঝোতা হতে পারে ইমরান খানের।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মে ১৪, ২০২৪ ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান অসিম মুনির ৯ মে লাহোর সফরে গিয়ে সাফ জানান, ‘আমাদের ইতিহাসের এই অন্ধকার অধ্যায়ের পরিকল্পনাকারী ও স্থপতিদের সঙ্গে কোনো আপস বা চুক্তি হতে পারে না।’ তিনি মূলত গত বছর মে মাসের ৯ তারিখের ঘটনার ইঙ্গিত দেন। সেদিন দুর্নীতির মামলার শুনানির সময় ইসলামাবাদ হাইকোর্টে হাজির হলে ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ইমরান খানের তেহরিক-ই ইনসাফ পাকিস্তানের (পিটিআই) সমর্থকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।

পুরো পাকিস্তানে ছড়িয়ে পড়ে ইমরান সমর্থকদের বিক্ষোভ।
ইমরান খান দুই দিন পর মুক্তি পেলেও আগস্টে তাঁকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ এরই মধ্যে হাজার হাজার পিটিআইয়ের নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এবং পিটিআইয়ের মধ্যকার সম্পর্কে আগে থেকেই উত্তেজনা বিদ্যমান থাকলেও তা প্রকাশ্য বৈরিতায় রূপ নেয়।

বিশ্লেষকরা জানান, ওই ঘটনার এক বছর পর সেই ভগ্ন সম্পর্ক চেপে বসেছে রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর। আর অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থাকেও মোকাবেলা করতে হচ্ছে জনগণের রুটি-রুজির মতো গুরুতর সমস্যার।

গত বছর ৯ মে সরাসরি প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি এমনকি হামলার শিকার হওয়া পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এখন দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে ইমরান খানসহ শীর্ষ নেতাদের কারাবন্দি অবস্থায় দলটি এ বছর ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনে দলের জনপ্রিয়তার প্রমাণ রাখলেও পিটিআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি।

তবে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতের ইঙ্গিত দিয়ে পিটিআইয়ের জ্যেষ্ঠ নেতা ও খাইবারপাখতুনখোয়া প্রাদেশিক সরকারের সাবেক মন্ত্রী বলেন, ‘সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমাদের ভঙ্গুর সম্পর্কের ব্যাপারে কোনো লুকোছাপা নেই। দুই পক্ষের মধ্যেই উল্লেখযোগ্যভাবে অবিশ্বাস রয়েছে। বিষয়টির মিটমাট হওয়া উচিত। কারণ কোনো দেশেই রাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি এবং শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান একে অন্যের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে না।’

পাকিস্তানের স্বাধীনতা লাভের পর তিন দশক সেনাবাহিনী সরাসরি দেশটিকে শাসন করেছে।

নির্বাচিত সরকারের ওপরও সেনাবাহিনীর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। এমনকি ২০১৮ সালে ইমরান খান জয়ী হয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন। ওই সময় ইমরানবিরোধীরা দাবি করেছিল যে ইমরান খানকে গদিতে বসাতে ভূমিকা ছিল সেনাবাহিনীর। অন্যদিকে চার বছর পর অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ইমরান খানও সেনাবাহিনীকেই দোষারোপ করেন। অবশ্য সেনাবাহিনী দুটি অভিযোগই অস্বীকার করেছে। এরপর ইমরান প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন সমাবেশে অভিযোগ করেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আঁতাত করে সেনাবাহিনী তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য কোনো ষড়যন্ত্রের কথা স্বীকার করেনি। সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইমরান খানের সম্পর্কের এই বৈরিতা চূড়ান্তভাবে প্রকাশ পায় গত বছরের ৯ মে। তবে ওই ঘটনার এক বছর পর সেনাবাহিনী ইমরানের দলের বিরুদ্ধে নিজেদের লৌহ কঠিন মনোভাব বজায় রাখার কথা জানিয়ে দিলেও সম্পর্কের উষ্ণতার বার্তা দিয়েছে ইমরানের পিটিআই। সূত্র : আলজাজিরা

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল অপরাজিতবাংলা ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন oporajitobangla24@yahoo.com ঠিকানায়।