দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ৫০১ জন নাগরিকের স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে “প্রহসনমূলক” আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান ও বর্জনের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান শাসনব্যবস্থার অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ নেই।
বিবৃতিদাতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা, এবং ভিন্নমত প্রকাশে সংকুচিত পরিসর নির্বাচনকে অর্থবহ প্রতিযোগিতা থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। তারা মনে করেন, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক বৈধতা প্রতিষ্ঠা না করে বরং বিতর্ক আরও বাড়াবে।
যৌথ বিবৃতিতে একটি গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী ব্যবস্থার দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। সেখানে আস্থা পুনর্গঠন, সকল পক্ষের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণ এবং ভোটারদের নিরাপদ পরিবেশে ভোট দেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে বিভিন্ন পেশা, সামাজিক ও নাগরিক পরিমণ্ডলের ব্যক্তিরা রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা নিজেদের নাগরিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এই অবস্থান নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তবে পূর্ণাঙ্গ নামের তালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ আছে।
এ ঘোষণার পর নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা অনেকাংশে নির্ভর করবে অংশগ্রহণের পরিসর ও ভোটারদের আস্থার ওপর। একই সঙ্গে তারা মনে করছেন, চলমান মতপার্থক্য নিরসনে কার্যকর রাজনৈতিক সংলাপ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
সরকারি মহল থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো স্পষ্ট নয়। তবে নির্বাচনকে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
