ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৯ এপ্রিল ২০২১
  1. অনান্য
  2. অপরাধ ও আইন
  3. অভিবাসীদের নির্মম জীবন
  4. অর্থনীতি
  5. আত্মসাৎ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. ইতিহাস
  8. উদ্যোক্তা
  9. এশিয়া
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. গল্প ক‌বিতা
  15. চট্টগ্রাম বিভাগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বসুন্ধরা প‌রিবার, হত্যাকান্ড আড়াল কর‌তে চ‌লে শত কো‌টি টাকার লেন‌দেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক
এপ্রিল ২৯, ২০২১ ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়া (২০) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের পর তার বড় বোন নুসরাত জাহান সোমবার গভীর রাতে বসুন্ধরার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনায় গুলশান থানায় মামলা করেন। আর এর মাধ্য‌মে বসুন্ধরা প‌রিবার আবারো সম্প্র‌তি আলোচনায় আসে।

সোমবার ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ওই বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে গুলশান থানা পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং মুনিয়ার ব্যবহৃত ডিভাইসগুলো জব্দ করেছে পুলিশ। এ পর্যন্ত সাম্প্র‌তিক বসুন্ধরা গ্রুপ‌কে নি‌য়ে আলোচনা।

‌কিন্তু আজ থে‌কে ১৫ বছর পিছ‌নে গে‌লে দেখা যা‌বে বসুন্ধরা প‌রিবা‌রের সদস্য‌দের র‌ক্তের সা‌থে মি‌শে আছে এসব হত্যাকা‌ন্ডের ইতিহাস। আভিজাত্য এ প‌রিবা‌রের দ্বারা সংগ‌ঠিত হত্যাকান্ডগু‌লো হ‌চ্ছে আভিজাত্য এলাকা‌তেই।

২০০৬ সালের ৪ জুলাই গুলশানেরই একটি অ্যাপার্টমেন্টে খুন হন তৎকালীন বসুন্ধরার কমিউনিকেশন্সের কর্মকর্তা সাব্বির । ৫ জুলাই তার লাশ উদ্ধারের পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়। এবার মোসারাত জাহান মুনিয়া (২০) ঝুলন্ত লাশ‌টিও পাওয়া যায় গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে।

সায়েম সোবহানদের জন্য এটা নতুন কিছু নয়। ২০০৬ সা‌লে জোট সরকারের অামলে বসুন্ধরার পরিচালক সাব্বিরকে হত্যা করেও এরা পার পেয়ে গেছে। জানা যায়, খা‌লেদা জিয়ার সম্ম‌তি‌তে বসুন্ধরার কা‌ছে ১০০ কো‌টি টাকা চে‌য়ে‌ছি‌লেন তা‌রেক জিয়া।

সেবার সা‌ব্বির হত্যাকা‌ন্ডের ঘটনায় করা মামলায় ২০০৮ সালের ১২ মে পাঁচজনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। আসামিরা ছি‌লেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহান (সানবীর), নূরে আলম, হুমায়ূন কবীর, খায়রুল হাসান ও শামসুদ্দিন আহমেদ। ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ পাঁচ আসামিকে খালাস দিয়ে রায় দেন একং তখন রাষ্ট্রপক্ষ ঐ রায়ের বিরু‌দ্ধে আপিল ক‌রে‌ছি‌লো। আর এবার ২৬ এপ্রিল ২০২১ তা‌রি‌খের মোসারাত জাহান মুনিয়া (২০) এর মৃত্যু‌কে কেন্দ্র ক‌রে মামলা হয় বসুন্ধরার বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে।

ঘটনা হাত‌রে জানা যায়, বসুন্ধরা গ্রুপের
টেলিযােগাযােগ শাখার পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির ২০০৬ ৪ জুলাই রাতে গুলশানের একটি বাসায় খুন হন। হত্যাকান্ডের তদন্তে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সােবহান ও তার ছেলে সানবীরের জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠলে তারা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তৎকাললীন জোট সরকা‌রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাবরের কাছে যান। এরপর হত্যাকান্ডটি ধামাচাপা দিতে বাবর ও তারেক বসুন্ধরা গ্রুপের কাছে ১০০ কোটি টাকা দলের খরচের নামে দাবী করেন। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগন খালেদা জিয়ার সম্মতি ছিল। পরে ৫০ কোটি টাকায় বিষয়টি রফা হয়। এর মধ্যে ২১ কোটি টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়। এ টাকার মধ্যে বাবরের নির্দেশে বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক আবু সুফিয়ান ২০০৬ সালের ২০ অগাস্ট হাওয়া ভবনে ১ কোটি টাকা তারেকের ব্যক্তিগত সহকারী অপুকে বুঝিয়ে দেন। বাবর ৫ কোটি টাকা আবু সুফিয়ানের মাধ্যমে নগদ গ্রহণ করে কাজী সালিমুল হক কামালের কাছে জমা রাখেন। বাকি ১৫ কোটি টাকা বাবরের নির্দেশে আবু সুফিয়ান প্রাইম ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় সালিমুল হক কামালকে ২০টি চেকের মাধ্যমে দেন।”

সং‌শ্লিষ্ট সূত্র থে‌কে জানা যায়, বাবর স্বীকার করেন, বেগম খালেদা জিয়া ও তার ছেলের চাপের কারণে পুলিশ মামলাটি দায়ের করে। মহানগর গােয়েন্দা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে।

জিজ্ঞাসাবাদে বাবর বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের চাপের কারণে মামলার অভিযােগপত্র দিতে ব্যর্থ হলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসার জন্য তিনি মামলাটি রেখে দেন। তিনি স্বীকার করেন, সাব্বির হত্যার মামলাটি তিনি প্রতিদিন নিজে তদারকি করতেন। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকের সঙ্গে তিনি গােপন বৈঠক করেন। হত্যা মামলার আসামী সানবীরকে দেশ থেকে তিনি পালাতে সাহায্য করেন বলেও স্বীকার করেছি‌লেন বাবর।

২০১৭ সা‌লে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণে সহ‌যোগীতা ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার আসামী ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসা।

ত‌বে ঘটনার এখা‌নেই শেষ নয়। গুলশানের অভিজাত ফ্ল্যাট‌ থে‌কে মৃত উদ্ধার হওয়া মোসারাত জাহান মুনিয়া (২০)’র বড় বোন নুসরাত জাহানের করা মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডির বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের হয়েছে, সেখা‌নে নাম উঠে এসে‌ছে আরেকজ‌নের নাম। তি‌নি হ‌চ্ছে আলো‌চিত ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসা।
২০১৭ সালের মে মাসে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারে নাম ছিল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসার। প্রথমে মামলা করতে ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা করেছিলেন পিয়াসা। কিন্তু সেই পিয়াসার বিরুদ্ধেই আবার মামলা তুলে নেওয়ার হুমকির অভিযোগে জিডি করেছিলেন ভুক্তভোগী। চার বছর পর আবারও আলোচানায় সেই পিয়াসা। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে তারা পিয়াসাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।

গুলশান থানায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘গত ২৩ এপ্রিল সায়েম সোবহান আনভীর মুনিয়াকে হঠাৎ বকাঝকা করেন। মুনিয়া কেন ফ্ল্যাট মালিকের বাসায় গিয়ে ইফতার করেছে এবং ছবি তুলেছে। ফ্ল্যাট মালিকের স্ত্রী সেই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছে। এটা আবার পিয়াসা দেখেছে। পিয়াসা মালিকের স্ত্রীর ফেসবুক ফ্রেন্ড ও পরিচিত। পিয়াসা আনভীরের মাকে সব বলে দেবে। আর আনভীরে মা বিষয়টি জানতে পারলে মুনিয়াকে মেরে ফেলবে বলেও মামলার এজাহারে বলা হয়েছে।’

এজাহারে পিয়াসার নাম উল্লেখ করায় প্রশ্ন উঠেছে কে এই পিয়াসা? পরে অনুসন্ধানে জানা যায় এই পিয়াসা হলেন ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসা, যিনি চার বছর আগেও রেইনট্রি হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় আলোচনায় এসেছিলেন। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ জুয়েলারি শপ আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ ছিলেন ওই ধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি। পিয়াসা ছিলেন সাফাত আহমেদের সাবেক স্ত্রী। রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের ওই ঘটনার কিছুদিন আগেই সাফাতের সঙ্গে পিয়াসার ডিভোর্স হয়েছিল।
এ প্রস‌ঙ্গে পিয়াসা জানান, ‘হ্যাঁ, আমিই মুনিয়া’র বিষয়টি আনভীর ভাইয়ের মাকে বলেছি। আনভীর ভাইয়ের আগের সংসার রয়েছে। সেটি বাঁচানোর জন্য আমি উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এতে কি আমার অপরাধ হয়েছে?’
ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসা আরও বলেন, ‘এই ঘটনার নেপথ্যে আরও অনেক কাহিনি আছে। এই মেয়ে (মুনিয়া) তো একটা সাইকো ছিল। আনভীর ভাই বিবাহিত জানা সত্ত্বেও কেন তার দেওয়া ফ্ল্যাটে থাকা শুরু করেছিল? তাকে তো আগে আমরা কুমিল্লায় পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। সে লোভী।’

এই ঘটনায় চট্টগ্রামের হুইপপুত্র শারুণের যোগসাজস রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ সংক্রান্ত কথপোকথনের কয়েকটি স্ক্রিনশটও পাঠান এই প্রতিবেদকের কাছে। সেখানে মুনিয়া শারুণকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমার কিছু হয়ে গেলে আপনি আমার পরিবারকে একটু দেইখেন।’ শারুণকে কিছু কল রেকর্ড ও স্ক্রিনশট দিয়ে মৃত্যুর পর এসব সবাইকে দেওয়ার জন্য বলেন মুনিয়া।

এই কথপোকথনের সত্যতা জানতে যোগাযোগ করা হলে শারুণ চৌধুরী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, ‘এগুলো বোগাস। মূল ঘটনাকে অন্যদিকে মোড় নেওয়ানোর জন্য এসব করা হচ্ছে। মুনিয়ার মোবাইল তো এখন পুলিশের কাছে। যা করার ফরেনসিক করুক। আমি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলাম যদি এসব কেউ প্রমাণ করতে পারে।’ মুনিয়াকে চিনতেন না বলেও দাবি করেন শারুণ।

এ‌দি‌কে, লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ মুনিয়ার বাসা থেকে ছয়টি ডায়েরি উদ্ধার ক‌রে‌ছেন যেখা‌নে তীব্র অভিমান আর ক্ষোভর কথা লিখা ছি‌লো। পাতায় পাতায় লিখে রেখেছেন জীবনে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনাবলী। সায়েম সোবহানের সঙ্গে কিভাবে পরিচয়, পরিচয় থেকে প্রণয় এবং সবশেষে করুণ পরিণতির কারণও লিখে গেছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ডায়েরির একটি পাতায় সায়েম সোবহানকে উদ্দেশ্য করে লেখা রয়েছে, ‘আমার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় হয়েছে। আগামীকাল ভোরে এসে তুমি আর আমাকে আর পাবে না।’
পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী জানান, ছয়টি ডায়েরি উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা এগুলো যাচাই-বাছাই করছি। এখানে অনেক কিছু লেখা রয়েছে। মামলার তদন্তে এগুলো কাজে লাগবে।

এ‌দি‌কে, বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীর এখন কোথায়—তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, আনভীর সোমবার (২৬ এপ্রিল) রাতেই দেশত্যাগ করেছেন। যদিও ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্র জানাচ্ছে, আনভীর দেশেই আছেন।
বিমানবন্দরের একটি সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে একটি চাটার্ড ফ্লাইটে সায়েম সোবহান আনভীরের পরিবারের সদস্যদের দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার বিকেলে ভিপিসি-১১ নম্বর ফ্লাইটে সায়েম সোবহানের ভাই সাফওয়ান সোবহান, রানিয়া আফরোজ সোবহান, শেহজাদ সোবহান, পিয়াসা সোবহান দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন। এছাড়া ওই ফ্লাইটে হোসনে আরা খাতুন ও মন্টু মিয়া নামে আরও দুজন যাত্রী ছিলেন। বিমানবন্দরের ওই সূত্র জানায়, এই ফ্লাইটেই সায়েম সোবহান আনভীরসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও দুবাই যাবার কথা ছিল। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে অন্যরা কেউ যাননি।

রাজধানীর গুলশানে ফ্ল্যাট থেকে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার আসামি বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিদেশযাত্রার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। আনভীরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) ‍পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্য মহানগর হাকিম তা মঞ্জুর করেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-কমিশনার জাফর আহমেদ বলেন, ‘পুলিশের পক্ষ থেকে সায়েম সোবহানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার একটি আবেদন করা হয়েছিল। আবেদনটি আদালত মঞ্জুর করেছেন।’

কিন্তু, সব ধোঁয়াশা কা‌টি‌য়ে আদালত সূ‌ত্রে জানা যায়, বিদেশে থেকেই মহামান্য হাইকোর্টে আগাম জামিন শুনানির সুযোগ করে নিয়েছেন সায়েম সোবহান। জানা যায়, মামলার আইটেম/সিরিয়াল নাম্বার ১৪। আজ তার আগাম জা‌মি‌নের কথা র‌য়ে‌ছে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল অপরাজিতবাংলা ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন oporajitobangla24@yahoo.com ঠিকানায়।