ঢাকাMonday , 23 November 2020
  1. অনান্য
  2. অপরাধ ও আইন
  3. অভিবাসীদের নির্মম জীবন
  4. অর্থনীতি
  5. আত্মসাৎ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. ইতিহাস
  8. উদ্যোক্তা
  9. এশিয়া
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. গল্প ক‌বিতা
  15. চট্টগ্রাম বিভাগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৭৫ এর পর বার বার কারা নির্যাতিত নেতা নূরুন নবী ভোলা ৩১ নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি পদ প্রার্থী।

Link Copied!

ঢাকা মহানগর-উত্তর মোহাম্মদপুর থানার ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন অতিদ্রুত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এমনটি ধরে নিয়েই নেতাকর্মীরা তৎপর হয়ে উঠেছে। মোহাম্মদপুর থানার ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কারা আসছেন তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে ব্যাপক আলোচনা ইতিমধ্যে চায়ের কাপে ঝড় উঠেছে। কে হচ্ছেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক? এই প্রশ্নের উত্তরের ওপর নির্ভর করছে অনেক কিছু। এ দিকে সমর্থন পেতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন পদ প্রত্যাশীরা। ফলে সম্মেলনকে ঘিরে নতুন করে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মোহাম্মদপুর থানার ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে কেউ কেউ আলোচনায় থাকলেও আদর্শিক নেতৃত্ব হিসেবে পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন, ৭৫ এর পর মোহাম্মদপুরের ছাএলীগ, যুবলীগ এর সাবেক সংগ্রামী নেতা জিয়া-এরশাদ ও খালেদা জিয়ার জোট সরকারের সময় মোহাম্মদপুরের সবচাইতে বেশি রাজনৈতিক হয়রানি মূলক মামলায় বার বার কারা নির্যাতিত সাবেক কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক নূরুন নবী ভোলা।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে আরো জানা গেছে, মোহাম্মদপুর থানার ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সভাপতি পদে নূরুন নবী ভোলা এর কোনো বিকল্প নাই, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দেবার মতো জনবল, পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক পরিচিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, রাজনৈতিক দূরদর্শীতা, আদর্শিক-পরীক্ষিত নেতৃত্ব, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ ও গ্রহণ যোগ্যতা ইত্যাদি যেসব গুণের প্রয়োজন তার সবগুলো নূরুন নবী ভোলার মধ্যে বিদ্যামান রয়েছে।

নূরুন নবী ভোলার রাজনৈতিক পরিচয়ঃ সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগ, সাবেক সহ-সভাপতি, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগ, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, মোহাম্মদপুর থানা যুবলীগ, সাবেক সদস্য, ঢাকা মহানগর আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, মোহাম্মদপুর থানা কৃষক লীগ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা জেলা কৃষক লীগ উত্তর, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর কৃষক লীগ উত্তর, সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, সাবেক সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, সদস্য, কার্যনির্বাহী কমিটি, ৩১নং ওযার্ড আওয়ামী লীগ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা মহানগর, উত্তর।

সামাজিক পরিচয়ঃ সেক্রেটারী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশ কেন্দ্র (এনজিও) এবং সাধারণ সম্পাদক, পাঠাগার পরিচালনা কমিটি, বিজ্ঞানী ড. এম.এ ওয়াজেদ মিয়া স্মৃতি পাঠাগার, মোহাম্মদপুর, টাউনহল, ঢাকা (মোহাম্মদপুরের সব চাইতে বড় বেসরকারী পাঠাগার)।

ঢাকা মহানগর-উত্তর মোহাম্মদপুর থানার ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি ১৯৮৭ সালে মাননীয় সভানেত্রীর তৎকালীন এপিএস মোঃ কার্জনুর রহমানের সাথে মোহাম্মদপুর আসাদগেটে ফ্রিডম পার্টির কর্ণেল ফারুকের জীপ গাড়ী ভাংচুর করি। পরে ফ্রিডম পার্টির লোকজন আমার প্রাণনাশের জন্য আমার উপর সশস্ত্র হামলা চালায়। সেই হামলার ক্ষত এখনও আমি বয়ে বেড়াচ্ছি।

ওয়ান-১১ এ মাননীয় সভানেত্রী ১৬ই জুলাই গ্রেফতার হয়। ৪ঠা আগষ্ট বিকাল ৩টায় মাননীয় সভানেত্রীর মুক্তির দাবীতে ৩৫০/৪০০জন লোক নিয়ে আসাদগেটের সাব জেলের সামনে আমার নেতৃত্বে মানববন্ধন করি। সেই মানববন্ধনে ধানমন্ডি ৩২ বঙ্গবন্ধু ভবনের কাদের, কিশোর, সুপ্ত বড়–য়া সহ আরও অনেকেই উপস্থিতছিলেন। নেত্রীর মুক্তির দাবীতে প্রতিটা মানববন্ধন ও প্রোগ্রামে সবসময় উপস্থিত ছিলাম।

বর্তমান মহানগর উত্তর আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান সহ ২৮/০৬/২০০৩ইং তারিখে আমাদের নামে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি গাড়ী ভাংচুরের অভিযোগে দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়। মামলা নং-৮৪/৫২৯, তারিখ-২৮/০৬/২০০৩ইং। সেই মামলায় শেখ বজলুর রহমান ১নং আসামী, আমি ১০নং আসামী।

বর্তমান মোহাম্মদপুরে আদাবর, ঢাকা-১৩ আসনের সাংসদ জনাব সাদেক খান, থানা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী মিজান ও আমার নামে ১২/০২/২০০৪ইং তারিখে মোহাম্মদপুর থানায় দ্রæতবিচার আইনে মামলা হয়, মামলা নং-২৪/১২২, তারিখ ঃ ১১/০২/২০০৪ইং। সেই মামলায় আমি ১নং আসামী ছিলাম।

১৯৭৫ সালের পর প্রতিটি সরকারের আমলে বিভিন্ন রাজনীতিক হয়রানি মুলক মামলার শিকার হই। জোট সরাকারের আমলে মোহাম্মদপুরে আমার চাইতে বেশি রাজনৈতিক হয়রানিমুলক মামলা আর কারো নামে হয়নি। ১৯৭৫ এর পর মোহাম্মপদপুরে সকল আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রভাগে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি।

আমি আশা করি মোহাম্মদপুর থানার ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ দিয়ে আমাকে মূল্যায়ন করবেন।আর আমি সেই সভাপতি পদ নিয়ে নিষ্টার সাথে দায়িত্ব পালন করে, গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে সংগঠনের জন্য অতীতের মতো ভবিষ্যতেও ঢাকা মহানগর-উত্তর আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি শেখ বজলুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচির হাতে হাত রেখে তাদের নেতৃত্বে একইভাবে কাজ করে যাবো। আর মোহাম্মদপুর থানাতে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দূর্নীতি বন্ধ করে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটাব এবং সাধারণ মানুষের পাশে থেকে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বীশেষে সকল মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করবো ইনশাল্লাহ।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল অপরাজিতবাংলা ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন oporajitobangla24@yahoo.com ঠিকানায়।