রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান আদালতে সোহেল রানার জবানবন্দি রেকর্ড এবং অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
জবানবন্দিতে সোহেল রানা শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের পর হত্যা করার কথা স্বীকার করেছেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। একই সঙ্গে স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের সহায়তায় মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে শিশুটির দেহ বিকৃত করার কথাও তিনি স্বীকার করেছেন বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রামিসার বাবা রাজধানীর বনানীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এবং পরিবার নিয়ে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। একই ভবনের অন্য একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন সোহেল রানা ও তার স্ত্রী।
নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১৯ মে সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর কৌশলে তাকে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায় আসামি সোহেল রানা বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনাটি প্রকাশের পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
