ঢাকাসোমবার , ২৫ মে ২০২৬
  1. অনান্য
  2. অপরাধ ও আইন
  3. অভিবাসীদের নির্মম জীবন
  4. অর্থনীতি
  5. আত্মসাৎ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. ইতিহাস
  8. উদ্যোক্তা
  9. এশিয়া
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. গল্প ক‌বিতা
  15. চট্টগ্রাম বিভাগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এডিস মশার ঘনত্ব বেড়েছে,

নিজস্ব প্রতিবেদক
মে ২৫, ২০২৬ ৫:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এডিস মশার ঘনত্ব আশঙ্কাজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই কার্যকর উদ্যোগ না নিলে চলতি বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক তথ্য ও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, রাজধানীর পাশাপাশি জেলা পর্যায়েও ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২১ মে পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩ হাজার ১৭ জন এবং মারা গেছেন পাঁচজন। বছরের শুরুতে রোগীর সংখ্যা কমলেও এপ্রিল থেকে সংক্রমণ আবার ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। এই প্রবণতাকে বিশেষজ্ঞরা ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির জন্য একটি সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার জানিয়েছেন, ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় এডিস মশার ‘ব্রুটো ইনডেক্স’ ২০-এর বেশি পাওয়া গেছে, যা উচ্চ ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়। প্রতি ১০০টি বাড়ির মধ্যে কতটি পানির পাত্রে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়, তার ওপর এই সূচক নির্ধারিত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র ফগিং কার্যক্রম দিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে উৎস ধ্বংস করাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। বিশেষ করে বাসাবাড়ির টব, ড্রাম, নির্মাণাধীন ভবন কিংবা ছাদে জমে থাকা পরিষ্কার পানি এখন বড় ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠেছে।

আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এবার শুধু ঢাকা নয়, বরিশাল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খুলনা, ময়মনসিংহ, গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকাতেও ঝুঁকি বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজধানীর বাইরে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম তুলনামূলক দুর্বল হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতাও একই ধরনের সতর্ক বার্তা দিচ্ছে। বিশেষ করে ২০২২ ও ২০২৩ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। ২০২৪ সালে দেশে ১ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হন এবং ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালগুলো প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, হাসপাতাল প্রস্তুতির পাশাপাশি এখন সবচেয়ে জরুরি হলো স্থানীয় পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল অপরাজিতবাংলা ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন oporajitobangla24@yahoo.com ঠিকানায়।