ঢাকাThursday , 29 September 2022
  1. অনান্য
  2. অপরাধ ও আইন
  3. অভিবাসীদের নির্মম জীবন
  4. অর্থনীতি
  5. আত্মসাৎ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. ইতিহাস
  8. উদ্যোক্তা
  9. এশিয়া
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. গল্প ক‌বিতা
  15. চট্টগ্রাম বিভাগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পর্যবেক্ষকরা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন চান

Link Copied!

আগামী ১৭ অক্টোবর দেশের ৬১টি জেলা পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু এই নির্বাচনে ভোটের আগেই ১১৪ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। এরমধ্যে চেয়ারম্যান ২৭ জন, সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৯ জন এবং সাধারণ সদস্য পদের ৬৮ জন প্রার্থী রয়েছে। এছাড়া স্থানীয় সরকারের গেলো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য ভালো না। 

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভূমিকা চান নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। এই বিষয়ে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবীব খান (অব.)।

জেলা পরিষদ নির্বাচন একটু ভিন্ন ধর্মী নির্বাচন হওয়ার কারণে এখানে বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগটা বেশি উল্লেখ করে জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদের (জানিপপ) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ফেমার সভাপতি মুনিরা খান বলেন, যেখানে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে না, সেখানে জনগণের অংশগ্রহণের কোনো প্রশ্নই আসছে না। অতএব বলা যায়, এই নির্বাচনগুলো অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে না। এটা গণতন্ত্রের জন্য ভালো না। ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হলে তাদের মাথায় আসে যে, আমি তো জনগণের ভোটে নির্বাচিত হইনি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা থাকবে।

ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হলাম এবং শাসন ব্যবস্থায় আমার যে অধিকার আছে, তা থেকেও আমি বঞ্চিত হলাম। এর দায়-দায়িত্ব আমি নির্বাচন কমিশনকে দেবো। তারা যদি বলে যে, ধরে বেধে আনবো না। তাহলে তো হবে না। তাদেরকে বলতে হবে প্লিজ আমাদের উপর আস্থা রাখুন। আপনারা (রাজনৈতিক দল) নির্বাচনে আসুন। আমরা সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন আপনাদেরকে উপহার দেবো। এটা নির্বাচন কমিশনকে দেখতে হবে যোগ করেন তিনি।

এবিষয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবীব খান (অব.) বলেন, ‘বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় কোনো নির্বাচন হওয়া বা প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়া কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য না। কমিশন কখনও এটা আশা করে না। আমরা চাই নির্বাচন উৎসবমুখরভাবে ও প্রতিযোগিতামূলকভাবে হোক।

ভোটার, রাজনৈতিকদলসহ সব পক্ষের আস্থা অর্জন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই এটা বের করার চেষ্টা করব, কেন অন্য কোনো প্রতিনিধি নির্বাচনে আসছে না। সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ নির্বাচন করার জন্য শেষ পর্যন্ত আমরা চেষ্টা করে যাবো।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল অপরাজিতবাংলা ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।