কানাডার সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংলাপ পুনরায় শুরু হবে বলে জানিয়েছেন চীনের শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ই। বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে।
এটিকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের আরও একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ হয়েছে। একই সময়ে কানাডার ঐতিহ্যগত মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অটোয়ার সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়েছে।
গত জানুয়ারিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠক করার পর এ পরিবর্তন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র কানাডা সফর শুরু হয় বৃহস্পতিবার। এক দশকের মধ্যে এটি কোনো চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম কানাডা সফর।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে, কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দের সঙ্গে বৈঠকে ওয়াং বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুনভাবে যাত্রা শুরু করেছে। সব ক্ষেত্রে বিনিময় ও সহযোগিতা পুরোপুরি পুনরুদ্ধার হয়েছে। উভয় পক্ষের প্রধান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক উদ্বেগগুলোরও যথাযথ সমাধান করা হয়েছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘দুই পক্ষ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক পরামর্শ পুনরায় শুরু করতে এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও আইনের শাসন বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের সংলাপ চালু করতে সম্মত হয়েছে।’
চলতি বছর বেইজিং কানাডার কিছু পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক কমিয়েছে। অন্যদিকে অটোয়া বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত শুল্ক ব্যবস্থার আওতায় চীন থেকে কয়েক হাজার বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে সম্মত হয়েছে।
২০১৮ সালে হুয়াওয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তাকে কানাডায় গ্রেফতারের ঘটনায় চীন পাল্টা ব্যবস্থা নেয়। এতে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক গভীর সংকটে পড়ে।
২০১৯ ও ২০২১ সালের কানাডার নির্বাচনে চীনা হস্তক্ষেপের অভিযোগ নিয়েও সম্পর্ক আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। যদিও বেইজিং এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
